একাডেমিক কোচিং, ICT লার্নিং, স্কিল ডেভেলপমেন্ট এবং ব্যক্তিগত গাইডলাইনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করা — দেওয়ানহাট, চট্টগ্রাম।
বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই এই সমস্যাগুলোর সম্মুখীন হয় — কিন্তু সঠিক পরিবেশ ও গাইডলাইন পেলে সবকিছু বদলে যায়।
একা পড়তে বসলে মনোযোগ থাকে না, মোবাইলে সময় চলে যায় — পড়াশোনা হয় না ঠিকমতো।
৫০-৬০ জনের ব্যাচে শিক্ষক সবার দিকে মনোযোগ দিতে পারেন না — প্রশ্ন করার সাহস হয় না।
ICT বিষয়টি কঠিন মনে হয়, হাতে-কলমে শেখার সুযোগ নেই — ফলে পরীক্ষায় ভালো করা হয় না।
পরীক্ষার আগে ভয় ও উদ্বেগ কাজ করে, কারণ নিয়মিত প্র্যাকটিস ও মূল্যায়নের অভাব রয়েছে।
বারবার ব্যর্থ হলে শিক্ষার্থী নিজেই নিজেকে দুর্বল ভাবতে শুরু করে — আসলে সমস্যা অন্য জায়গায়।
অনেক অভিভাবক জানেনই না সন্তান আসলে কেমন পড়ছে — কোনো রিপোর্ট বা আপডেট দেওয়া হয় না।
যে শিক্ষার্থী আজ পিছিয়ে আছে, তার বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সমস্যা মেধার নয় — সমস্যা পরিবেশের, পদ্ধতির এবং ব্যক্তিগত মনোযোগের অভাবের।
যখন কোনো শিক্ষার্থী ক্লাসে প্রশ্ন করতে ভয় পায়, যখন তার দুর্বলতা কেউ ধরতে পারে না, যখন বাড়িতে পড়ার কোনো কাঠামো নেই — তখন সে পিছিয়ে পড়তে শুরু করে। এবং একসময় নিজেকেই দুর্বল মনে করতে শুরু করে।
ইফতেখার একাডেমি সেই শিক্ষার্থীকে আবার সঠিক পথে আনে — ব্যক্তিগত যত্ন, কাঠামোবদ্ধ পরিকল্পনা এবং নিয়মিত মূল্যায়নের মাধ্যমে।
"সঠিক পরিবেশ, সঠিক গাইডলাইন এবং একজন যত্নশীল শিক্ষক পেলে যেকোনো শিক্ষার্থীই উন্নতি করতে পারে — এটাই আমাদের বিশ্বাস।"
৬০ জনের ক্লাসে একজন শিক্ষক প্রতিটি শিক্ষার্থীর দুর্বলতা বুঝতে পারেন না। সমস্যা না বলতে পারলে সমস্যা থেকেই যায়।
বড় ব্যাচে শিক্ষার্থীরা বিব্রত হওয়ার ভয়ে প্রশ্ন করে না। ফলে বিষয়ের বেসিক গ্যাপ বড় হতে থাকে।
মাসে মাসে পরীক্ষা না হলে শিক্ষার্থী কোথায় আছে বোঝা যায় না — বার্ষিক পরীক্ষায় ধাক্কা লাগে।
ছোট সাফল্যও যদি কেউ উদযাপন না করে, তাহলে শিক্ষার্থীর উৎসাহ ধীরে ধীরে কমতে থাকে।
SSC/HSC শেষ করেও অনেকে জানে না পরে কী করবে — ক্যারিয়ার, ডিজিটাল স্কিল, উচ্চশিক্ষার কোনো ধারণাই নেই।
শুধু কোচিং নয় — একটি সম্পূর্ণ শিক্ষা ব্যবস্থা, যা প্রতিটি শিক্ষার্থীকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।
সর্বোচ্চ ১২ জন শিক্ষার্থী প্রতি ব্যাচে — প্রতিটি শিক্ষার্থীকে আলাদা সময় ও মনোযোগ দেওয়া সম্ভব হয়।
প্রতিটি শিক্ষার্থীর দুর্বলতা আলাদাভাবে চিহ্নিত করে সেই অনুযায়ী পড়ানো হয়।
প্রতি সপ্তাহে পরীক্ষা হওয়ায় শিক্ষার্থী সারা বছর প্রস্তুত থাকে — বোর্ড পরীক্ষায় কোনো চমক নেই।
অভিভাবকরা প্রতি সপ্তাহে WhatsApp-এ সন্তানের উপস্থিতি, পরীক্ষার নম্বর ও অগ্রগতির রিপোর্ট পান।
কম্পিউটার, ইন্টারনেট ও AI সম্পর্কে হাতে-কলমে শেখানো হয় — শুধু বোর্ড সিলেবাস নয়, বাস্তব জীবনের জন্যও।
নিয়মশৃঙ্খলা, সময়ানুবর্তিতা এবং পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা হয় — একাডেমিক জীবনের বাইরেও যা কাজে আসে।
মুখস্থ করা নয়, বুঝে পড়ার পদ্ধতি শেখানো হয় — ফলে যেকোনো পরীক্ষায় শিক্ষার্থী প্রস্তুত থাকে।
নিয়মিত প্রশংসা, ফিডব্যাক ও উৎসাহের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলা হয়।
SSC থেকে HSC পর্যন্ত, একাডেমিক থেকে ডিজিটাল স্কিল পর্যন্ত — সব ধরনের শিক্ষার্থীর জন্য উপযুক্ত কোর্স।
Class 8, 9 ও 10 শিক্ষার্থীদের জন্য পূর্ণাঙ্গ একাডেমিক কোচিং। সাপ্তাহিক পরীক্ষা ও ব্যক্তিগত ট্র্যাকিং।
HSC Business শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ কোচিং। হিসাববিজ্ঞান, ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা ও পরীক্ষা কৌশল।
মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য মূল বিষয়গুলো, সমালোচনামূলক চিন্তা ও উত্তর লেখার দক্ষতা।
হাতে-কলমে ICT প্রশিক্ষণ। কম্পিউটার, ইন্টারনেট ও বোর্ড পরীক্ষার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুতি।
গ্রামার, রাইটিং, কমিউনিকেশন স্কিল — শিক্ষার্থীদের ইংরেজিতে আত্মবিশ্বাসী করে তোলা হয়।
বেসিক থেকে বোর্ড লেভেল পর্যন্ত গণিত। মুখস্থ নয়, বুঝে সমাধান করার পদ্ধতি শেখানো হয়।
AI সচেতনতা, প্রেজেন্টেশন স্কিল, ডিজিটাল লিটারেসি ও ক্যারিয়ার সচেতনতার মাসিক সেশন।
নিশ্চিত না হলে আগে ফ্রি ক্লাসে যোগ দিন। পড়ানোর পদ্ধতি ও পরিবেশ নিজেই দেখুন।
বড় ব্যাচে শিক্ষার্থী শুধু একটি মুখ — কিন্তু ছোট ব্যাচে প্রতিটি শিক্ষার্থী একটি নাম, একটি গল্প, একটি দায়িত্ব।
ছোট ব্যাচে শিক্ষক সহজেই বুঝতে পারেন কে কোথায় আটকে আছে — সাথে সাথে সমাধান হয়।
কম শিক্ষার্থী থাকায় বিব্রত হওয়ার ভয় থাকে না — যেকোনো প্রশ্ন খোলামেলাভাবে করা যায়।
ব্যক্তিগতকৃত পড়ানোর গতিতে শিক্ষার্থী সত্যিকারের বোঝার সুযোগ পায় — ফলাফল কয়েক সপ্তাহেই দৃশ্যমান।
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের সাথে বিশ্বাসের সম্পর্ক তৈরি করতে পারে — একাডেমিক ও ব্যক্তিগত গাইডলাইন পায়।
AI ও ডিজিটাল যুগে শুধু সার্টিফিকেট যথেষ্ট নয়। ইফতেখার একাডেমি শিক্ষার্থীদের বাস্তব দক্ষতা দিয়ে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কী, কীভাবে কাজ করে এবং ভবিষ্যতে চাকরির বাজারে কী প্রভাব ফেলবে — তা সহজ ভাষায় শেখানো হয়।
কম্পিউটার, ইন্টারনেট নিরাপত্তা, MS Office এবং ডিজিটাল টুলস ব্যবহারে পারদর্শী হওয়ার সুযোগ।
নিজের ভাবনা স্পষ্টভাবে প্রকাশ করা, দর্শকের সামনে আত্মবিশ্বাসের সাথে কথা বলা — স্কুল থেকেই শেখা যায়।
বাংলা ও ইংরেজিতে নিজেকে স্পষ্টভাবে প্রকাশ করার দক্ষতা — ভর্তি পরীক্ষা, ইন্টারভিউ ও জীবনে কাজে আসে।
ক্যারিয়ারের সম্ভাবনা, উচ্চশিক্ষার পথ, বৃত্তির সুযোগ এবং বিভিন্ন পেশায় কী দক্ষতা লাগে তা জানানো হয়।
সমস্যাকে একাধিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বিশ্লেষণ করা এবং যুক্তিসম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়ার দক্ষতা তৈরি হয়।
ইফতেখার একাডেমি শুধু পরীক্ষা পাশ করায় না — জীবনের জন্য প্রস্তুত করে।
আপনি সবসময় জানবেন আপনার সন্তান কোথায় আছে — পরীক্ষার ফলাফল থেকে শুরু করে উপস্থিতি পর্যন্ত সবকিছু।
প্রতিটি ক্লাসে কনসেপ্ট পড়ানো হয়, উদাহরণ দেওয়া হয় এবং শিক্ষার্থীরা নিজেরা অনুশীলন করে — কোনো বিভ্রান্তি নিয়ে ক্লাস ছেড়ে যায় না।
প্রতি শনিবার পরীক্ষা হয় — সেই সপ্তাহের পাঠ্যক্রম থেকে। এটি পরীক্ষার অভ্যাস তৈরি করে এবং জ্ঞান তাজা রাখে।
প্রতিটি খাতা দেখা হয় এবং শিক্ষার্থীর সাথে আলোচনা করা হয়। দুর্বল দিকগুলো পরের সপ্তাহে পুনরায় পড়ানো হয়।
প্রতি সপ্তাহে অভিভাবককে WhatsApp-এ নম্বর, উপস্থিতি, আচরণ ও শিক্ষকের মন্তব্য পাঠানো হয়।
প্রতি মাসে একটি সম্পূর্ণ পর্যালোচনা সেশন — পরের মাসের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয় এবং পরিকল্পনা তৈরি করা হয়।
📬 প্রতি রবিবার অভিভাবকের কাছে রিপোর্ট পাঠানো হয় · পরবর্তী পরীক্ষা: শনিবার সকাল ১০টা
আমাদের শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের সত্যিকারের অভিজ্ঞতা — নিজেদের ভাষায়।
আমার মেয়ে গণিতে খুবই দুর্বল ছিল। ইফতেখার একাডেমিতে আসার পর মাত্র দুই মাসে সাপ্তাহিক পরীক্ষায় ৮০% এর উপরে পাচ্ছে। প্রতি সপ্তাহে WhatsApp-এ রিপোর্ট পাই — এটা আমার জন্য অনেক আশ্বস্তকর।
আমি দুইবার English-এ ফেল করেছিলাম। সবাই বলত আমি দুর্বল। কিন্তু এখানে স্যার ঠিক কোথায় আমার সমস্যা সেটা খুঁজে বের করলেন এবং আলাদাভাবে শেখালেন। এখন আমি নিজেই English উপভোগ করি।
চাকরি করার কারণে ছেলের পড়াশোনার খোঁজ নেওয়া কঠিন হতো। এখন প্রতি সপ্তাহে রিপোর্ট পাই — উপস্থিতি, পরীক্ষার নম্বর, সব কিছু। এই স্বচ্ছতা অনেক মূল্যবান।
ICT কোচিং এখানে সত্যিই আলাদা। স্যার শুধু বোর্ড সিলেবাস না শিখিয়ে বাস্তব জীবনে কম্পিউটার কীভাবে ব্যবহার হয় সেটাও দেখান। AI সম্পর্কে জেনে আমার চোখ খুলে গেছে।
আগের কোচিং-এ ৭০ জনের ব্যাচে একটাও প্রশ্ন করিনি। এখানে ১০ জনের ব্যাচে স্যার নিজেই জিজ্ঞেস করেন কিছু বুঝেছি কিনা। এক মাসেই পরীক্ষার ফলাফল উন্নত হয়েছে।
ছেলের SSC-র ফলাফল মনের মতো হয়নি। HSC প্রিপ শুরু করেছে ইফতেখার একাডেমিতে — তিন মাসেই পড়াশোনার প্রতি তার মনোভাব পুরো বদলে গেছে। এই জায়গা চরিত্র গড়ে দেয়।
ক্লাসের পরিবেশ, পড়ানোর পদ্ধতি এবং গাইডলাইন সম্পর্কে নিজেই জানুন — কোনো ফি নেই, কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।
ইফতেখার চৌধুরী শুধু একজন শিক্ষক নন — তিনি একজন মেন্টর, যিনি বিশ্বাস করেন প্রতিটি শিক্ষার্থীর মধ্যে অপার সম্ভাবনা রয়েছে। সঠিক পরিবেশ ও গাইডলাইন পেলে যেকোনো শিক্ষার্থীই উন্নতি করতে পারে — এই বিশ্বাস থেকেই তিনি ইফতেখার একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন।
তিনি একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি ICT, ডিজিটাল স্কিল ও ভবিষ্যতের ক্যারিয়ার নিয়ে শিক্ষার্থীদের সচেতন করেন — কারণ তিনি জানেন, আজকের শিক্ষার্থীকে কালকের বিশ্বের জন্য প্রস্তুত করতে হবে।
শক্তিশালী একাডেমিক ভিত্তি তৈরিতে বিশ্বাসী — মুখস্থ নয়, বোঝার মাধ্যমে শেখানো হয়।
ICT ও প্রযুক্তিকে শিক্ষার সাথে যুক্ত করেন — শিক্ষার্থীকে ডিজিটাল ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করেন।
পরীক্ষার ভয়, ক্যারিয়ার বিভ্রান্তি, আত্মবিশ্বাসের সমস্যা — সব ক্ষেত্রে পাশে থাকেন।
সাপ্তাহিক পরীক্ষা ও প্রগ্রেস ট্র্যাকিং ব্যবহার করে নিশ্চিত করেন কোনো শিক্ষার্থী পিছিয়ে না পড়ে।
ভর্তির আগে সবচেয়ে বেশি যে প্রশ্নগুলো করা হয় — সেগুলোর উত্তর এখানে পাবেন।
ফ্রি ট্রায়াল ক্লাস বুক করুন, যেকোনো প্রশ্ন করুন বা সরাসরি আমাদের একাডেমিতে আসুন।
দেওয়ানহাট, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ
+880 1731-518535
শনি–বৃহস্পতি: সকাল ও বিকেলের ব্যাচ
info@iftekharacademy.com
WhatsApp us